
পাওলো দিবালার ক্যারিয়ার, বিশেষত আলবিসেলেস্তে জার্সিতে, অনেকের কাছেই আক্ষেপের প্রতিশব্দ। একদিকে ইনজুরিপ্রবণতা, অন্যদিকে মেসির ছায়া- কোনটিই তার পক্ষে কাজ করেনি। রোমায় দিবালা অধ্যায়ের সমাপ্তি ইঙ্গিত দেয় যে তার ইউরোপ পর্বও শেষের পথে। এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে দিবালা আর্জেন্টিনায় ফিরতে পারেন বোকার জার্সি গায়ে। তবে একথা মনে হয় এখন বলা যায় যে বিশেষ কিছু না ঘটলে বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না লা জোয়ার। তবে আজ সেই গল্প নয়।
ফুটবল ফ্যানরা অনেক সময় নিছক মজার ছলে কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বানান। দিবালাকে নিয়ে এমন দুটো থিওরি আছে। একটি হচ্ছে- আসলে দিবালা বলতে কেউ নেই বা দিবালার অস্তিত্ত্ব কখনোই ছিল না। দিবালা আসলে একটা চরিত্রের নাম, একজন অভিনেতা এই রোল প্লে করছেন। এই কারণেই আমরা কখনোই দিবালাকে খেলতে দেখি না।
আর অন্য থিওরিটি হচ্ছে দিবালা আসলে একজন টাইম ট্রাভেলার এবং তিনি লিওনেল আদতে স্কালোনির ছেলে। এই থিওরিতে, লিওনেল স্কালোনির ছেলে দিবালা ভবিষ্যৎ থেকে শুধু ২০২২ বিশ্বকাপ খেলতেই আসেন এবং তার একমাত্র কাজ ছিল বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ মুহূর্তে কিলিয়ান এমবাপ্পের শটকে ইন্টারসেপ্ট করা। এই থিওরি বলে যে স্কালোনি চাইলেও বেশি সময় দিবালাকে খেলাতে পারতেন না, কারণ তাহলে তাদের মধ্যেকার সরাসরি ইন্টারেকশন টাইম- প্যারাডক্স তৈরি করতে পারতো। এই থিওরির সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে লিওনেল স্কালোনির ছেলের চেহারার সাথে দিবালার চেহারার অদ্ভুত মিল!
এইসব নিছক মজা বাদ দিলেও, দিবালা যখন ভালো খেলেন তখন তাকে দেখতে আনন্দ না পাওয়ার কারণ নেই। তিনি হয়তো লিওনেল মেসির লেভেলের কেউ নন, তবে অনেকেই লা জোয়ার ফ্যান এবং তাকে ভালো করতে দেখতে চাইতেন। সেটা আলবিসেলেস্তে জার্সি গায়ে হচ্ছে না বলেই মনে হচ্ছে। তবে কে না জানে, ফুটবলে শেষ কথা বলে কিছু নেই!
Leave a comment